বল টেম্পারিং কী?
চলেন সেটা প্রথমে জেনে নেওয়া যাক___
-> বিশ্বের ক্রিকেটের আইনে বলা আছে, কোনো দল চাইলে বল চকচকে করতে পারবে কিন্তু এটি করার জন্য কোনো কৃত্রিম বস্তু ব্যবহার করা যাবে না। যদি বল ভিজে যায়, সেটা তোয়ালে দিয়ে মুছে নেওয়া যাবে, ball এ কাদা লাগলে সেটা আম্পায়ারের দ্বারা পর্যবেক্ষণে পরিষ্কার করা যাবে। তাছাড়াও বল চকচকে করতে থুতুও ব্যবহার করা যাবে কিন্তু অন্য কিছু ব্যবহার করা যাবে না একদম । অন্য উপায়ে বলের অবস্থার পরিবর্তন করার যেকোনো চেষ্টাই হবে অনৈতিক। infact, it's ball temparing. এটাকে বল টেম্পারিং বলে ।
জশনে জুলুছে ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম'২৩
আয়োজনঃ
আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত বাংলাদেশ,
বেতাগী ইউনিয়ন পূর্ব পরিষদ।
সিরিশ কাগজ লুকাচ্ছেন ব্যানক্রফট।
ক্যামেরন ব্যানক্রফটের সিরিশ কাগজ দিয়ে বল ঘষার চেষ্টা তো দেখেই ফেলেছেন সবাই। ২০১৩ সালে ফাফ-ডু-প্লেসির-জিপারের বল ঘষা, কিংবা ১৯৯৪ সালে মাইকেল আথারটনের পকেটে বালু রেখে বল পরিচর্যার ঘটনাও আছে সবার মাথায়। এসবই অনেকে করে থাকেন শুধুমাএ বলের এক দিক রুক্ষ করার উদ্দেশ্যে।
বল টেম্পারিংয়ের আরেকটি উপায় হচ্ছে বলের যেকোনো এক ভাগ অতিরিক্ত মসৃণ করে ফেলা। এজন্য বল পেলেই ফিল্ডারদের ঘষার কার্যকারণটা মূলত এটাই। খেলার মাঝে থুতু ব্যবহার করে বলের এক দিক মসৃণ করার জন্য এখন দলগুলো বিশেষ কয়েকজনকে দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। তাঁদের দায়িত্বই থাকে বল পেলেই হাতের স্লিভ, ট্রাউজারের কোনা অথবা মুখের থুতু ব্যবহার করে ক্রমাগত বলের শুধু এক দিক চকচকে রাখা। এই কাজ করতে গিয়ে ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম টেস্টের পর পেটের পীড়ায় পড়েছিলেন জো রুট। ভুগেছেন মাঠের সেই ময়লা লাগা বলে টানা থুতু লাগানোর কুফল! কিন্তু এসব বৈধ কাজ।
ব্যাপারটা অবৈধ পর্যায়ে চলে যায় তখন, যখন মুখের থুতুটা আরও কার্যকরী করতে কৃত্রিম কিছু ব্যবহার করা হয়। গত কয়েক আগে মুখে মিন্ট চুইংগাম চিবিয়ে বল চকচকে করায় শাস্তি পেয়েছিলেন ডু প্লেসি। এর আগে জহির খানের বিরুদ্ধে জেলি বিন ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছিল ইংরেজরা। ভারতের স্থানীয় ক্রিকেটেও মেনটোস ব্যবহার করে বল চকচকে রাখার কথাও শোনা গেছে বেশ কয়েকবার। আর এসবই বল টেম্পারিংয়ের পর্যায়ে পড়ে।
এছাড়া তৃতীয় আরেকটি উপায়ে বল টেম্পারিং করা হয়। সেটি হলো, বলের Simm নখ দিয়ে খুঁটে খুটে একটু উঁচু করা। ব্যাপারটা অন্য উপায়ে করা যায়, তবে এতে ধরা পড়ার আশঙ্কা একশ-ভাগ । পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির বল কামড়ানোর ঘটনা নিশ্চয় স্মৃতি পাতা থেকে হারিয়ে যায়নি এখনো! তবে এই তিনটি কাজই করা হয় এক উদ্দেশ্যে, পেস বোলারদের বাড়তি সুবিধা (সুইং) পাওয়া।
শাস্তি
মাঠে আম্পায়ারের উপর বিশেষ দায়িত্ব থাকে বলের অবস্থার পর্যবেক্ষণ করা এবং তা অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর। যদি একজন আম্পায়ার মনে করেন যে কোনো ফিল্ডার বল-টেম্পারিং-এর দোষে দোষী সাবস্থ্য হয়েছে, তখন তিনি খেলার বিপক্ষ দলকে ৫ পেনাল্টি রান উপহার দিতে পারেন এবং টেম্পারিং-এ ক্ষত বল অবশ্যই পরিবর্তন করবেন। সাধারণত আম্পায়াররাই বল পরিবর্তন করেন এবং নতুন বল যতটা সম্ভব পুরাতন বলের কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করেন। মাচ বা সিরিজ এর শুরুতে নির্ধারিত নিয়মাবলির উপর ভিত্তি করে, একজন ব্যাটসম্যান বিভিন্ন সময় ধরে ব্যবহৃত বলের মধ্যে থেকে বল নির্ধারণ করতে পারেন।
বল টেম্পারিং এর দোষে দোষী সাবস্থ্য বোলার খেলার বাকি অংশসময় জুড়ে boll করা থেকে আদেশ পেতে পারেন। যদি একজন খেলোয়াড় একাধিকবার বল টেম্পারিং এর দোষে দোষী সাবস্থ্য হন, তা ভয়ঙ্কর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং খেলা শেষে আইন অনুযায়ী বিভিন্ন শাশ্তির মুখমুখি হবেন খোলোয়াড় । এমনকি উক্ত দলের অধিনায়কেও সমান শাস্তি ভোগ করতে হয় কারণ দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলার মাঠে দলের বাদবাকি সদস্যের আচরনের দায়দায়িত্ব তার উপর বর্তায়। তাকে জবাবদিহিতার মধ্যে যেতে হয়।
এছাড়া তৃতীয় আরেকটি উপায়ে বল টেম্পারিং করা হয়। সেটি হলো, বলের Simm নখ দিয়ে খুঁটে খুটে একটু উঁচু করা। ব্যাপারটা অন্য উপায়ে করা যায়, তবে এতে ধরা পড়ার আশঙ্কা একশ-ভাগ । পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদির বল কামড়ানোর ঘটনা নিশ্চয় স্মৃতি পাতা থেকে হারিয়ে যায়নি এখনো! তবে এই তিনটি কাজই করা হয় এক উদ্দেশ্যে, পেস বোলারদের বাড়তি সুবিধা (সুইং) পাওয়া।
শাস্তি
মাঠে আম্পায়ারের উপর বিশেষ দায়িত্ব থাকে বলের অবস্থার পর্যবেক্ষণ করা এবং তা অবশ্যই নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর। যদি একজন আম্পায়ার মনে করেন যে কোনো ফিল্ডার বল-টেম্পারিং-এর দোষে দোষী সাবস্থ্য হয়েছে, তখন তিনি খেলার বিপক্ষ দলকে ৫ পেনাল্টি রান উপহার দিতে পারেন এবং টেম্পারিং-এ ক্ষত বল অবশ্যই পরিবর্তন করবেন। সাধারণত আম্পায়াররাই বল পরিবর্তন করেন এবং নতুন বল যতটা সম্ভব পুরাতন বলের কাছাকাছি রাখার চেষ্টা করেন। মাচ বা সিরিজ এর শুরুতে নির্ধারিত নিয়মাবলির উপর ভিত্তি করে, একজন ব্যাটসম্যান বিভিন্ন সময় ধরে ব্যবহৃত বলের মধ্যে থেকে বল নির্ধারণ করতে পারেন।
বল টেম্পারিং এর দোষে দোষী সাবস্থ্য বোলার খেলার বাকি অংশসময় জুড়ে boll করা থেকে আদেশ পেতে পারেন। যদি একজন খেলোয়াড় একাধিকবার বল টেম্পারিং এর দোষে দোষী সাবস্থ্য হন, তা ভয়ঙ্কর অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, এবং খেলা শেষে আইন অনুযায়ী বিভিন্ন শাশ্তির মুখমুখি হবেন খোলোয়াড় । এমনকি উক্ত দলের অধিনায়কেও সমান শাস্তি ভোগ করতে হয় কারণ দলের অধিনায়ক হিসেবে খেলার মাঠে দলের বাদবাকি সদস্যের আচরনের দায়দায়িত্ব তার উপর বর্তায়। তাকে জবাবদিহিতার মধ্যে যেতে হয়।
Pipilika-24




